নবাবগঞ্জে জোড়া খুনের দায়ে ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৭ জনের যাবজ্জীবন

স্টাফ রিপোর্টার

নবাবগঞ্জে জোড়া খুনের দায়ে ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৭ জনের যাবজ্জীবন

সাত বছর আগে ঢাকার নবাবগঞ্জ থানাধীন এলাকায় রাস্তায় কলাগাছ ফেলে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে শেখ কালাম ও জাহিদ খানকে খুন করার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড এবং ৭জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

রোববার বিকেলে ঢাকার অতিরিক্ত দায়রা জজ-৮ এর (ভারপ্রাপ্ত) বিচারক মুহাম্মদ মুনির হোসাঈন এই রায় ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. সজিব এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন, শেখ নাছির (৪৮)। দণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ২০ হাজার টাকার অর্থদণ্ড দেন বিচারক।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন, নুর ইসলাম ওরফে নুর হোসেন মোল্লা, সাইফুল আলম শেখ সুমন শেখ, বাবুল গাজী, শেখ হাবিবুর রহমান হবি, আনোয়ার হোসেন বাবু, আল আমিন। দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেকেই ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আসামি সাইফুল আলম শেখ সুমন শেখ ও আল আমিন রায় ঘোষণার সময় পলাতক ছিলেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শেখ কালাম ও জাহিদ খান মোটরসাইকেল করে পীর নুরুল ইসলামের বাড়ি থেকে নিজেদের বাড়িতে যাওয়ার পথে নবাবগঞ্জ থানাধীন বান্দুরা মাঝির কান্দাগামী পাকা রাস্তার মতব্বতপুরের ডাঙ্গারচর নামক স্থানে পৌঁছালে আসামিরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে রাস্তায় কলাগাছ ফেলে মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। শেখ নাছির ও সাইফুল ধারালো দা দিয়ে শেখ কালামকে কোপায়।

আরও বলা হয়, আসামিরা শেখ কালামকে কুপিয়ে ডান কাঁধের উপর এবং ডান হাতের বাহুতে মারাত্মক জখম করে। শেখ কালামের সঙ্গী জাহিদ খানকে লাঠি পিটিয়ে জখম করে।তাদের চিৎকারে এলাকাবাসী ও পুলিশ আসলে আসামিরা পালিয়ে যায়।

এসময় কালাম ও জাহিদকে আহত অবস্থায় নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান তারা। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার নবাবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত করে ২০২১ সালের ২১ জানুয়ারি ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর মো. আসিকুজ্জামান আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলায় ৩৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন