জানালো জ্বালানি বিভাগ

দুই মাস পেট্রোল ও অকটেনের কোনো সংকট হবে না

আমার দেশ অনলাইন

দুই মাস পেট্রোল ও অকটেনের কোনো সংকট হবে না
ফাইল ছবি

আগামী দুই মাসে পেট্রোল ও অকটেনের কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।

তিনি বলেন, এই মুহূর্তে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নেই। পেট্রোল ও অকটেনে আগামী দুই মাসে কোনো সংকট হবে না। বর্তমানে দেশে ১ লাখ ৪৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, অকটেন ৯ হাজার ৫৬৯ মেট্রিক টন ও পেট্রোল ১৬ হাজার ৮১২ মেট্রিক টন মজুত আছে।

বিজ্ঞাপন

এ পর্যন্ত সারা দেশে ৭ হাজার ৩৪২টি অভিযানে অবৈধভাবে মজুত করা ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৪২ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, মজুত ও অতিরিক্ত কেনার প্রবণতা পরিবর্তন না হলে সমস্যার সমাধান হবে না।

তিনি আরও বলেন, প্রতি মাসে জ্বালানি তেলে দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার। এক লিটার ডিজেল বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। অথচ এটা ১৫৫ টাকায় বিক্রি হওয়া উচিত। অর্থাৎ প্রতি লিটার ডিজেলে ৫৫ টাকা করে ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার।

ফুয়েল পাস প্রসঙ্গে মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ঢাকার আসাদ গেটে সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশন এবং ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে ফুয়েল পাসের মাধ্যমে জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে চালু হবে।

যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ হলেও দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতিতে প্রভাব থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়; বিশ্বের সব দেশেই যুদ্ধের প্রভাব থাকবে। এপ্রিলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়নি সরকার। জনগণের কথা চিন্তা করেই বাড়ানো হয়নি। পৃথিবীর কমই দেশই এমন জনবান্ধব সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছে। যুদ্ধ বন্ধ হলে সরকারও সবকিছু বিবেচনা করেই জ্বালানি তেলের দাম ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নেবে।

অন্তত ৩ মাসের জ্বালানি মজুতের সক্ষমতা তৈরি করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানান যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, এলপিজির দাম নিয়ে ভোক্তাদের অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন