ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পরদিনই তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম এক লাফে ১৭ টাকা ৬২ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। এখন প্রতি সিলিন্ডারের জন্য গ্রাহককে আগের চেয়ে ২১২ টাকা বেশি গুনতে হবে।
তিনি বলেন, এপ্রিলের শুরুতেও একবার দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা করা হয়েছিল। শহরের সিংহভাগ মানুষ রান্নার জন্য এলপিজির ওপর নির্ভরশীল। এই মূল্যবৃদ্ধি তাদের খরচের ওপর চাপ তৈরি করবে এবং সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতি উস্কে দেবে। উচ্চহারে তেল ও এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে এক বিবৃতিতে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, যেকোনো অর্থনৈতিক সংকটে আইএমএফসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি সাধারণ পরামর্শ হলো সরকারের ব্যয় কমানো। আর সরকার ব্যয় কমানোর অর্থ হিসেবে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করে। অথচ আইএমএফ অন্য রাজস্ব বৃদ্ধির পরামর্শও দেয়। কিন্তু সরকার রাজস্ব আয় বৃদ্ধির পথে না হেঁটে সহজপন্থা হিসেবে জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দেয়। জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে দৃশ্যত লিটারে ২০ টাকা বাড়লেও এর বহুমাত্রিক মূল্যস্ফীতির প্রভাব অনেক বেশি। সর্বত্র এর প্রভাব পড়ে, যা একজন নাগরিককে প্রতিটি কেনাকাটায় অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে বাধ্য করে।
তিনি বলেন, আমরা সরকারকে বলবো, জনগণের ওপর বোঝার চাপ বাড়িয়ে সংকট সমাধানের পথে হাঁটবেন না। বরং জনগণের বোঝা লাঘবের চেষ্টা করুন। বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লে যদি দেশে তেলের দাম বৃদ্ধি করতে হয়, তাহলে বিশ্ববাজারে যখন তেলের দাম কমে তখন দেশেও তেলের দাম কমানোর নীতি গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যে পণ্যের দাম বেড়েছে, তা কমানোর ব্যবস্থাও করতে হবে। কিন্তু আমাদের দেশে কখনো দাম কমে না। তাই সরকারকে বলবো, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পুনর্বিবেচনা করতে হবে এবং মানুষের কষ্ট লাঘবে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
এআরবি
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ