বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলার সাবেক আমির, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য, বরিশাল অঞ্চলের টিম সদস্য ও ভোলা-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
রোববার দুপুর ২টা ১২ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে দুই মেয়ে, স্ত্রী ও অগণিত আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।
অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামালের মৃত্যুর খবরটি আমার দেশকে নিশ্চিত করেছেন ভোলা পৌরসভা জামায়াতের আমীর মো. জামাল উদ্দিন।
তিনি জানান, আজ বিকেল ৫টায় কল্যাণপুর ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ মাঠে মোস্তফা কামালের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আমিরের জামায়াতসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। আগামীকাল ভোলা সদরে এবং চরফ্যাশনের তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামালের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন জামায়াত আমির আমির ড. শফিকুর রহমান। তিনি তার ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে লেখেন, মহান রবের ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেলেন অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল (রাহিমাহুল্লাহ)। রাব্বুল কারীমের সাথে তার এই মুলাকাত রাহমাহ ও মাগফিরাহ এবং তার করা আমলের ওপর সীমাহীন বারাকাহমণ্ডিত হোক।
জামায়াত আমির আরও লেখেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল (রাহিমাহুল্লাহ)-কে তার আবরার গোলামদের মধ্যে শামিল করুন এবং জান্নাতুল ফেরদাউসের মেহমান হিসেবে কবুল করুন। স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততিদের আল্লাহ তাআলা তার নিজের অভিভাবকত্বে কবুল করুন। পরিবার, আপনজন, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং সকল সহকর্মীদের রাব্বুল আলামীন সবরে জামিল আ’তা করুন। আমিন।
উল্লেখ, মরহুম অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল ভোলা ও বরিশালে মজলুম জননেতা হিসেবে পরিচিত। আওয়ামী আমলে তিনি একাধিক মিথ্যা মামলা জেলহাজতে ছিলেন বছরের পর বছর। ফ্যাসিস্টের লালিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নিহত হন তার বড় ছেলে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

