সিডনি: সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান ডেভিড ওয়ার্নার রুটিন ব্রিড টেস্টের সময় মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানোর ঘটনায় পুলিশের নজরে পড়েছেন। পরীক্ষায় তার রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা ০.১০৪ পাওয়া গেছে, যা নিউ সাউথ ওয়েলসের আইনি সীমার দ্বিগুণের বেশি। এই ঘটনায় তাকে আগামী ৭ মে আদালতে হাজিরা দিতে হবে।
নিউজকর্পের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশের কাছে ওয়ার্নার জানিয়েছেন, তিনি এক বন্ধুর সঙ্গে তিন গ্লাস ওয়াইন পান করেন এবং এরপর নিজের গাড়ি চালিয়ে মারৌব্রায় বাড়ি ফেরার পথে ছিলেন। ব্রিড টেস্ট সাইটের কাছে গাড়ি আচমকাই থেমে যাওয়ায় ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তারা তাকে পরীক্ষা করেন। প্রাথমিক পরীক্ষার পরে তাকে নিকটস্থ পুলিশ স্টেশনে নেওয়া হয় এবং দ্বিতীয় পরীক্ষায় রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা চূড়ান্তভাবে ধরা পড়ে।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে এই ঘটনায় মন্তব্য করেছে ক্রিকেট নিউ সাউথ ওয়েলস। সংস্থার প্রধান নির্বাহী লি জারমন বলেছেন, “আমরা নিরাপদ ড্রাইভিংকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করি। এই ধরনের ঘটনা আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুতর। ওয়ার্নার আইনি প্রক্রিয়া পরবর্তী সময়ে আমাদের পূর্ণ সমর্থন পাবেন।”
আইন অনুযায়ী নিউ সাউথ ওয়েলসের ক্ষেত্রে রক্তে ০.০৮–০.১৪৯ মাত্রার অ্যালকোহল থাকলে তা গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। শাস্তি হিসেবে বড় অংকের জরিমানা বা জেল হতে পারে।
২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া ওয়ার্নার বর্তমানে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) করাচি কিংসের অধিনায়কত্ব করছেন। তার দল ৯ এপ্রিল পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলবে। সম্প্রতি তিনি ছোট বিরতিতে দেশে ফিরেছেন। করাচি কিংস ম্যানেজমেন্ট এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।
আপনি চাইলে আমি এটিকে আরও “স্পোর্টস ফোকাসড নিউজ” আকারে সাজাতে পারি যেখানে ম্যাচ শিডিউল ও ওয়ার্নারের ভবিষ্যৎ খেলার সম্ভাবনার দিকটাও হাইলাইট থাকবে।
আপনি কি সেটা করতে চাইবেন?
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

