
পাথরের ট্রাকে লুকিয়ে আনা হচ্ছিল ভারতীয় কসমেটিকস
তল্লাশির সময় ট্রাকভর্তি পাথরের নিচে বস্তার ভেতরে অত্যন্ত কৌশলে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কসমেটিকস উদ্ধার করা হয়। বিজিবি জানায়, পাচারের উদ্দেশ্যে এসব পণ্য দেশের অভ্যন্তরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

তল্লাশির সময় ট্রাকভর্তি পাথরের নিচে বস্তার ভেতরে অত্যন্ত কৌশলে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কসমেটিকস উদ্ধার করা হয়। বিজিবি জানায়, পাচারের উদ্দেশ্যে এসব পণ্য দেশের অভ্যন্তরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

আগ্রাসনে রূপ নিয়েছে ভেজাল ও নিম্নমানের কসমেটিকস, হোমকেয়ার ও স্কিনকেয়ার পণ্য। এ ভয়াবহতা দিন দিন শুধু বাড়ছেই। এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্যের ব্যবহার নিশ্চিত এবং সঠিক নীতিমালা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। কারণ জনসম্পৃক্ত এসব বিষয় নিশ্চিত করা না গেলে চরম হুমকির মুখে পড়বে জনস্বাস্থ্য।

হুমকিতে দেশীয় শিল্প
বাংলাদেশে কসমেটিকস ও স্কিন কেয়ার সামগ্রীর বার্ষিক বাজার প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকার। এর মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশই আসে আমদানিকৃত ফিনিশড গুডস থেকে। কিন্তু এই আমদানির পেছনে চলছে ভয়াবহ অনিয়ম—আন্ডার ইনভয়েসিং, ওজন গোপন এবং শুল্ক ফাঁকির মাধ্যমে প্রতিবছর হাজার কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রস্তাবিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে কসমেটিকস ও স্কিন কেয়ার পণ্য খাতে আমদানি নিরুৎসাহিত না করে বরং নানা সুবিধা দিয়ে উল্টো আমদানি উৎসাহিত করা হয়েছে। এর ফলে স্থানীয় কসমেটিকস শিল্পের বিকাশ, নতুন বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান হুমকির মুখে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।