উপজেলা প্রতিনিধি, শরণখোলা (বাগেরহাট)

উপজেলা প্রতিনিধি, শরণখোলা (বাগেরহাট)

উপজেলা প্রতিনিধি, শরণখোলা (বাগেরহাট)

সকল লেখা
বাঘের তাড়া খেয়ে লোকালয়ে হরিণ, সুন্দরবনে অবমুক্ত

বাঘের তাড়া খেয়ে লোকালয়ে হরিণ, সুন্দরবনে অবমুক্ত

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সুন্দরবনসংলগ্ন খুঁড়িয়াখালী গ্রাম থেকে একটি মায়াবী চিত্রল হরিণ উদ্ধার করে বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। রোববার সকাল ৮টার দিকে সুন্দরবন থেকে নদী সাঁতরে ওই গ্রামের জামাল মিয়ার বাড়িতে ঢুকে পড়ে হরিণটি।

৫ ঘণ্টা আগে
শরণখোলায় কিশোরীর খণ্ডিত লাশ উদ্ধার

শরণখোলায় কিশোরীর খণ্ডিত লাশ উদ্ধার

শরণখোলায় ফাতেমা আক্তার রিয়া মনি নামে এক কিশোরীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের রাজৈর গ্রামের হাওলাদারবাড়ির সামনের রাস্তার পাশ থেকে লাশহটি উদ্ধার করা হয়।

২৪ মার্চ ২০২৬
লোকালয়ে ঢুকে দিনমজুরের ছাগল গিলে ফেলল বিশাল অজগর

লোকালয়ে ঢুকে দিনমজুরের ছাগল গিলে ফেলল বিশাল অজগর

বাগেরহাটের শরণখোলায় সুন্দরবন সংলগ্ন লোকালয়ে ঢুকে একটি বিশাল অজগর সাপ দিনমজুর পরিবারের একটি ছাগল গিলে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার রসুলপুর গ্রামের বনসংলগ্ন ভোলা নদীর চরে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় কমিউনিটি পেট্রোলিং গ্রুপ (সিপিজি) সদস্যরা সাপটি উদ্ধার করেন।

১০ মার্চ ২০২৬
মুক্তিপণ দিয়ে ফিরেছেন ১৪ জেলে, এখনো ১২ জেলে দস্যুদের কবলে

মুক্তিপণ দিয়ে ফিরেছেন ১৪ জেলে, এখনো ১২ জেলে দস্যুদের কবলে

অপহরণের প্রায় তিন সপ্তাহ পর মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন ১৪ জেলে। প্রত্যেক জেলের মুক্তিপণ হিসেবে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে দস্যুদের। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে তারা নিজ নিজ চরে ফিরেছে আসেন।

০৪ মার্চ ২০২৬
ঝাড়ু হাতে সড়ক ও হাসপাতাল পরিষ্কার করলেন এমপি আব্দুল আলীম

ঝাড়ু হাতে সড়ক ও হাসপাতাল পরিষ্কার করলেন এমপি আব্দুল আলীম

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শরণখোলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম কবির, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোস্তফা আমীন, শ্রমিক ফেডারেশনের উপজেলা সভাপতি সরোয়ার হোসেন বাদলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
অপহৃত জেলেরা এখনো বন্দি, ৭০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

অপহৃত জেলেরা এখনো বন্দি, ৭০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

এক সপ্তাহ পার হলেও বঙ্গোপসাগর থেকে দস্যু বাহিনীর হাতে অপহৃত ২০ জেলের এখনো মুক্তি মেলেনি। তাদের মুক্তিপণ হিসেবে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মহাজনদের কাছে প্রতি জেলের জন্য সাড়ে তিন লাখ টাকা, মোট ৭০ লাখ টাকা দাবি করেছে দস্যুরা। তবে মুক্তিপণ কমানো বা বাড়ানোর বিষয়ে মহাজন ও দস্যুদের মধ্যে দর কষাকষি চলছে।

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬