বরিশালের বাবুগঞ্জে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ধারাবাহিক অভিযানে নতুন করে ৩ হাজার লিটার তেল জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলায় অবৈধ জ্বালানি মজুতের বিরুদ্ধে প্রশাসনের তৎপরতা বাড়লেও একটি অসাধু চক্র নানা কৌশলে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের একের পর এক অভিযানে শত শত লিটার তেল জব্দ ও জরিমানা করা হলেও এ অবৈধ বাণিজ্য পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না।
রোববার (১২ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মীরগঞ্জ ফেরিঘাটের পূর্ব পাশে অভিযান পরিচালনা করা হয়। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা উল হুসনার নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে ‘মেসার্স হাওলাদার স্টোর’ ও ‘সিকদার স্টোর’ নামে দুটি প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালানো হয়।
এ সময় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত ও বিক্রির অভিযোগে ডিলার আ. কুদ্দুস হাওলাদার ও মো. সাইদুর রহমান শিকদারকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫৬ অনুযায়ী মোট ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে তাদের দোকান থেকে ২ হাজার ৪০০ লিটার ডিজেল ও ৬০০ লিটার পেট্রোলসহ মোট ৩ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত তেল নিলামের মাধ্যমে স্থানীয় ট্রলার, ট্রাক্টর, স্পিডবোট ও আলফা চালকদের কাছে বিক্রি করে প্রশাসন। বিক্রয়লব্ধ ৩ লাখ ৯ হাজার ৬০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, অভিযুক্তরা বরিশাল নগরের লঞ্চঘাট এলাকার একটি ফিলিং স্টেশন থেকে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে বাবুগঞ্জে এনে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করছিলেন।
অভিযানে জেলা এনএসআই বরিশাল কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপজেলা প্রশাসন এবং বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবৈধ জ্বালানি মজুত ও কালোবাজারি প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


ইরানের তেল বিক্রি ঠেকাতে একজোট হচ্ছে বিভিন্ন দেশ: ট্রাম্প