সৌরবিদ্যুৎ খাতে ১০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ সরকারের

স্টাফ রিপোর্টার

সৌরবিদ্যুৎ খাতে ১০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ সরকারের
পোশাক উৎপাদনে কার্বন নির্গমন কমাতে কারখানার ছাদে সোলার ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলো। ছবি : সৈয়দ মাহবুবুল কাদের

আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ খাতে ১০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। ৪ থেকে ৮ টাকা প্রতি ইউনিট উৎপাদন ব্যয় হতে পারে।

বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে শুধু সৌরবিদ্যুৎ খাতেই ১০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি জৈবগ্যাস ও বায়ুশক্তি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতে চার থেকে আট টাকা প্রতি ইউনিট উৎপাদন ব্যয় হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকারি মালিকানাধীন জমি ব্যবহার করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন খাতে বড় আকারের উদ্যোগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে বেসরকারি উদ্যোক্তারা অংশ নিতে পারবেন বলেও জানান তিনি।

এ ব্যাপার কমিটি গঠন করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, চূড়ান্ত অনুমোদনের পর কয়েক দিনের মধ্যেই এটি কাজ শুরু করবে। প্রয়োজনে নীতিমালা সংশোধন ও নতুন আইন প্রণয়ন করে দ্রুত কার্যক্রম চালু করা হবে।

বিদ্যমান নীতিমালা সহজ করে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ড. নাসিমুল গনি বলেন, সরকারি জমি, বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল-সংলগ্ন জায়গা ব্যবহার করে ছোট ও বড় আকারের বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, বিদ্যুৎ খাতের বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতকে আরও বেশি যুক্ত করা হবে এবং সরকারি সহায়তায় বিনিয়োগ পরিবেশ সহজ করা হবে।

জ্বালানি সংকট ও যানজট পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সরকার কাজ করছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে বাজারে অস্থিরতা ও ব্যবসায়িক প্রবণতার কারণে জ্বালানি বিতরণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন