জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলার সাবেক আমির, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য এবং বরিশাল অঞ্চলের টিম সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামালের দুই দফা জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় চরফ্যাশন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে প্রথম জানাজা এবং সকাল সাড়ে ৯টায় শশীভূষণ থানার পশ্চিম এওয়াজপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে কিডনি রোগ ও ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার দুপুরে ৫৯ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন)। তিনি এক পুত্র ও দুই কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।
জামায়াত আমিরের শোক:
অধ্যক্ষ মাওলানা মো. মোস্তফা কামালের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল দীর্ঘদিন ধরে ইসলামী আন্দোলন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিলেন। দ্বীন কায়েমের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে তিনি ইসলামী আন্দোলনের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। ভোলা জেলায় জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কার্যক্রমে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তার ইন্তেকালে জামায়াতে ইসলামী একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠককে হারাল। আমি তার ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি।
শোকবার্তায় তিনি আরও বলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাকে ক্ষমা ও রহম করুন এবং তার কবরকে প্রশস্ত করুন। তার গুনাহগুলো ক্ষমা করে নেকিতে পরিণত করুন। কবর থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রতিটি মঞ্জিলকে তার জন্য সহজ, আরামদায়ক ও কল্যাণময় করে দিন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাকে জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করুন এবং তার শোকাহত পরিবার-পরিজনদের এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


বিশ্ব ইতিহাসের ‘টার্নিং পয়েন্ট’