জাতিসংঘের অধীন শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত এক মাসে লেবাননে ইসরাইলের আগ্রাসনে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সংস্থাটির মুখপাত্র বাবর বালুচের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।
বাবর বালুচ জানান, লেবাননের সংকটাপন্ন পরিস্থিতি ‘দিনে দিনে গুরুতর’ হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘শেষ এক মাসে ইসরাইলের উচ্ছেদের আদেশের পর হামলা এবং লোকজনের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে পড়ার ঘটনা আমরা দেখেছি। বর্তমানে লেবাননের অভ্যন্তরেই ১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছে।’
তিনি জানান, লেবাননের প্রতি পাঁচজনের একজন বর্তমান যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। বর্তমানে পুরো দেশে ছয় শতাধিক আশ্রয়শিবিরে বাস্তুচ্যুত এসব লোক বাস করছেন।
বাবর বালুচ বলেন, ‘সংঘাত জোরদার হচ্ছে এবং এটি থামার কোনো লক্ষণ নেই। লেবাননের জনগণ এবং দেশটিতে বাস করা সিরিয়ার শরণার্থীদের ওপর এটি আঘাত হানছে। এটি শুধু ক্ষতিই করছে না বরং মানুষকে বাধ্য করছে লেবানন ছেড়ে অন্য কোথাও আশ্রয় নিতে।’
এর মধ্যে ২ লাখের বেশি মানুষ লেবানন ছেড়ে সিরিয়ায় আশ্রয় নিয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘এক মাসের গড় হিসাব যদি আপনি করেন, তাহলে প্রতিদিন লেবানন থেকে সিরিয়ায় ৭ হাজার মানুষ এসেছে। লেবাননে থাকা বাস্তুচ্যুত লোকেরা প্রতিনিয়ত তাদের জায়গা বদল করছে। লেবাননে থাকা লেবানিজ ও সিরীয় নাগরিকদের জন্য এ ধরনের পরিস্থিতি এটিই প্রথম নয়।’
বাবর বালুচ বলেন, লেবাননের বাস্তুচ্যুত মানুষকে সহায়তার জন্য ইউএনএইচসিআর ৩০ কোটি ডলারের তহবিল সংগ্রহে কাজ করছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


সুদানে হাসপাতালে ড্রোন হামলায় নিহত ১০