ইরানের বন্দরগুলোতে প্রবেশ ও প্রস্থানকারী সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে নৌ অবরোধ শুরু করেছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, জিএমটি সময় ১৪:০০ থেকে এই অবরোধ কার্যকর হয়েছে। তবে ইতোমধ্যে এই অবরোধের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক মিত্র দেশও ইরানের বন্দর অবরোধের সমালোচনা করেছে। খবর আলজাজিরার।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা আল জাজিরাকে বলেছেন, সামরিক বাহিনী নৌ অবরোধ আরোপ ও তা বজায় রাখতে প্রস্তুত, কিন্তু অবরোধ লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কোনো কার্যপ্রণালী নির্ধারণ করেনি।
ওই কর্মকর্তা অবরোধের স্থায়ীত্ব সম্পর্কে বলেন, ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যতদিন প্রয়োজন, এই পদক্ষেপ কার্যকর করার জন্য মার্কিন বাহিনী ও সরঞ্জাম যথেষ্ট।
অন্যদিকে, ইরান এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবৈধ কাজ এবং জলদস্যুতা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সতর্ক করেছে, হরমুজ প্রণালির কাছে কোনো যুদ্ধজাহাজ এলে তা বর্তমান যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
এই পদক্ষেপ এমন এক সময়ে নেওয়া হলো যখন বৈশ্বিক জ্বালানির গুরুত্বপূর্ণ পথ এই প্রণালিটি এর আগেও ইরানের নেতৃত্বে বন্ধ হয়েছিল। ফলে নতুন এই অবরোধ বৈশ্বিক বাজারে আরো অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপে মিত্র দেশগুলোর সমর্থন খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার স্পষ্ট জানিয়েছেন, ব্রিটেন এই অবরোধকে সমর্থন করে না। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেইনও বলেছেন, নৌ চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

